পোস্টগুলি

তথ্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

ভারতের জাতীয় পতাকার প্রকৃত রূপকার

ছবি
ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস : প্রকৃত রূপকার কে? ভারতের জাতীয় পতাকার বিবর্তনের মূল দুই ব্যক্তিত্ব—বাঁ দিকে প্রাথমিক নকশাকারী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া এবং ডান দিকে চূড়ান্ত রূপ দানকারী সুরাইয়া তৈয়বজি। তাঁদের অবদানকে সম্মানিত করতে তৈরি তথ্য তালাশ-এর বিশেষ চিত্রপট। আজ স্বাধীন ভারতের ৮০ তম বৎসরে পদার্পণের দিন। আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিন প্রথম উড্ডীন হয় ভারতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা। ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস শুধু একটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের বিবর্তন নয়, এটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেরও এক জীবন্ত দলিল । বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিবর্তন নিয়ে যারা জানতে চান, আজকের আলোচনাটি তাদের জন্য। জাতীয় পতাকার প্রকৃত নক্সাকার কে ছিলেন? ভারতের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাটি পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya)-র করা বলে বহুল প্রচলিত থাকলেও, প্রকৃত অর্থে বর্তমান পতাকার চূড়ান্ত রূপটি এসেছে সুরাইয়া বদরুদ্দিন তৈয়বজি  (Surayya Badr-ud-Din Tyabji)-র হাত ধরে। ইতিহাসবিদদের মতে, পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়...

কারচুপির কাজ কী?

ছবি
‘কারচুপির কাজ’ কী? চিত্র: ফারসি 'কারচোব' (কাঠের ফ্রেম) থেকে বাংলা 'কারচুপি' শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর। ‘কারচুপির কাজ’ হলো সুঁই-সুতার এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ সূচিকর্ম (Embroidery), যা প্রধানত সোনা-রূপার সুতো (জরি), চুমকি, পুঁতি এবং নানারকম পাথর কাপড়ের ওপর বসিয়ে করা হয়। মধ্যযুগ ও মোগল আমলে রাজকীয় পোশাক এবং সাজসজ্জার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল এই শিল্প । কারচুপির কাজের মূল বৈশিষ্ট্য  : কাঠামো বা ফ্রেম (আড্ডা): ‘কারচুপি’ শব্দটির একটি সম্ভাব্য উৎস হলো কাঠের ফ্রেম। এই কাজের জন্য কাপড়টিকে প্রথমে একটি বড় চারকোনা কাঠের ফ্রেমের (যাকে কারিগররা ‘আড্ডা’ বলেন) ওপর টানটান করে বাঁধা হয়। কাপড়টি ড্রামের মতো টানটান থাকে বলেই এর ওপর ভারী সুনিপুণ কাজ করা সহজ হয়। বিশেষ সুঁই (Aari Needle): সাধারণ সুঁইয়ের বদলে এই কাজে এক ধরণের বিশেষ হুক-যুক্ত সুঁই ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে কাপড়ের নিচ থেকে সুতো টেনে ওপরে এনে চেইন স্টিচের মাধ্যমে পুঁতি বা চুমকিগুলো কাপড়ে আটকানো হয়। ব্যবহৃত উপাদান: জরির সুতো, মেটালিক স্প্রিং (দবকা), নানারকম কাঁচের পুঁতি, কুন্দন, পাথর এবং ঝকঝকে চুমকি। ত্রিমাত্রিক...

সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

ছবি
‘সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব চীনের শীর্ষ ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘সি৯ লীগ’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘আইভি লীগ’-এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্বের তুলনামূলক চিত্র। সি৯ লীগ (C9 League) হলো চীনের শীর্ষস্থানীয় ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ জোট, যেখানে আইভি লীগ (Ivy League) হলো উত্তর-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্রীড়া সম্মেলন, যা পরবর্তীতে শিক্ষাগত উৎকর্ষের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই দুটি জোটই নিজ নিজ দেশের উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নির্ধারণ করে এবং বৈশ্বিক গবেষণা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সি৯ লীগ চীনের ৯টি শীর্ষস্থানীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভিজাত জোট । এই জোটের সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: 1. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় 2. সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় 3. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় 4. সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয় 5. নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় 6. চচিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় 7. চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 8. হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি 9. শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয় ...

মহান মে দিবসের ইতিহাস ও ২০২৬-এর তাৎপর্য | তথ্য তালাশ

ছবি
মে দিবস। May Day। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আজ ১লা মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ ও ভারতে আজ ‘ মহান মে দিবস ’ বা ‘ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি সম্মান জানানোর এক ঐতিহাসিক দিন। এক কথায়, ১ লা মে দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন বিশেষ নিবেদন :মে দিবসের ছড়া ঘামের গাথা ঘামের স্রোতে কাটছি সাঁতার সকাল থেকে সন্ধ্যা, যে-স্রোতের গতি মন্দা হলেই সভ্যতা হয় বন্ধ্যা। সেই স্রোতেতেই হাবুডুবু খাই, তোমার তাতে মানা তবু, তোমার চেয়ে দামি আমি, মানতে তোমার মানা। — আলী হোসেন (পুরো ছড়াটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ) 🗓 মে দিবসের পরিচিতি ও নামকরণ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস সাধারণভাবে ‘মে দিবস’ নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়। 📜 মে দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি : শ্রমিক আন্দোলনের প্রাথমিক পর্ব : বর্তমান শ্রমিক সংগ্রাম থেকে ‘মে দিবসে’র সংগ্রাম ছিল অনেকটাই ভিন্ন। ১৭৬০ থেকে ১৮৩২ সাল ছিল ইংল্যান্ডের...

এসএসকেএম হসপিটালের সঙ্গে হজরত সৈয়দ মিস্ত্রী আলী শাহ চিশতী (রহ.)-এর সম্পর্ক

ছবি
এসএসকেএম হসপিটাল ও হজরত সৈয়দ মিস্ত্রী আলী শাহ চিশতী (রহ.)-এর মাজার : কলকাতার একটি অনন্য আধ্যাত্মিক স্থান। কলকাতার ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র এসএসকেএম হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত ঐতিহাসিক 'মিস্ত্রী বাবার দরগাহ' (হজরত সৈয়দ মিস্ত্রী আলী শাহ চিশতী (রহ.)-এর মাজার)-এর ইতিহাস, লোককথা ও আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য জানুন tathyatalas.blogspot.com -এ হজরত সৈয়দ মিস্ত্রী আলী শাহ চিশতী (রহ.) -এর মাজার কলকাতার একটি অনন্য আধ্যাত্মিক স্থান। হাসপাতাল চত্বরের ভেতরে অবস্থিত হওয়ায় এটি সাধারণ মানুষের কাছে এক পরম ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। একে কলকাতার সংস্কৃতিরই একটি অংশ বলতে পারেন - এসএসকেএম হাসপাতালের মূল ব্লকের পাশেই অবস্থিত ‘ মিস্ত্রি বাবার দরগাহটি ’ শুধু বিশ্বাসের চাদরেই মোড়ানো নয়, বরং দুই শতাব্দীরও বেশি পুরোনো এক কিংবদন্তি ও ইতিহাসে আবৃত। অলৌকিক ঘটনা ও হাসপাতালের ইতিহাস ভিক্টোরিয়া ওয়ার্ডের সংযোগ: ২০০২ সালের ১১ জুলাই টাইমস্ অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট দেবদ্বৈপায়ন চ্যাটার্জী দরগাহটির উৎপত্তির কথা বর্ননা করেন। প্রায় ২৪০ বছর আগে যখন হাসপাতালটি নির্মিত হয়েছিল, তখন গণপূর্ত ...

সতীদাহ প্রথা রদ হয়

সতীদাহ প্রথা রদ হয় : The custom of Sati was abolished ১৮২৯ সালের চার ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা রদ হয়। ১৮২৯ সালের আজকের দিনে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিং আইন করে এই প্রথা বন্ধ করে দেন। সতীদাহ বিরোধী আইন প্রণয়নে উইলিয়াম বেন্টিংকে সাহায্য করেছিলেন রাজা রামমোহন রায় এবং উইলিয়াম কেরি।

ভারতের জাতীয় সংগীত লেখার পটভূমি

ভারতের জাতীয় সংগীত লেখার পটভূমি : জনগণমন প্রথম গাওয়া হয়: ২৭ ডিসেম্বর ১৯১১ কলকাতায় গানটির পান্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, কবে ও কোথায় রচিত তাও জানা যায় না। ' ভারতের জাতীয় কংগ্রেস '-এর ২৬তম বার্ষিক অধিবেশন ২৬-২৮ ডিসেম্বর ১৯১১ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে এই গানটি প্রথম জনসমক্ষে গাওয়া হয় সমবেতকণ্ঠে, ২৭ ডিসেম্বর। গানের রিহার্সাল হয়েছিল ডা: নীলরতন সরকারের হ্যারিসন রোডের বাড়িতে, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। পরের দিন ' দ্য বেঙ্গলি পত্রিকা ' গানটির ইংরেজি অনুবাদ সহ সংবাদটি পরিবেশন করে। ' তত্ত্ববোধিনী ' পত্রিকায় (মাঘ ১৩১৮) প্রথম প্রকাশিত গানটির পরিচয় দেওয়া হয় ব্রহ্মসংগীত বলে এবং এবছরের মাঘোৎসবেও গানটি ‘ ব্রহ্মসংগীত ’ বলে গীত হয়। গানটিকে ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণের প্রস্তাব উত্থাপিত হলে রবীন্দ্রনাথের বিরোধীগণ প্রচার করেন, গানটি সম্রাট পঞ্চম জর্জের ভারতে আগমনকে উপলক্ষ করে রচিত। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র পুলিনবিহারী সেন গানটি রচনার উপলক্ষ জানতে চেয়ে রবীন্দ্রনাথকে চিঠি লিখলে তিনি তাঁকে লিখেছিলেন (২০ নভেম্বর ১৯৩৭): "...সে বৎসর ভারতসম্রাটের আগমনের আয়োজন...

নোট বাতিল ঘোষণা

নোট বাতিল ঘোষণা : Demonetization Announcement ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতে ব্যবহৃত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণা করেন। ৮ নভেম্বর রাত ৮টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন দুর্নীতি ও কালো টাকার সমস্যার সমাধানের জন্য এই নোট বাতিলের ঘোষণা করা হলো। ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এই ঘটনা ‘নোট বন্দি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

অপারেশন কাগার’ কী?

‘অপারেশন কাগার’ কী? ২০২৩ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন ২০২৬ সালের ৩১ শে মার্চের মধ্যে সমগ্র ভারতকে নকশাল মুক্ত করা হবে। এই ঘোষণা অনুযায়ী ছত্রিশগড় সরকার এবং কেন্দ্র সরকার যুগ্মভাবে মাওবাদী দমন অভিযান শুরু করে। ‘ নকশাল মুক্ত ভারত ’ গড়ার জন্য পরিচালিত এই অভিযান ‘ অপারেশন কাগার ’ নামে পরিচিত। এই অপারেশনের মাধ্যমে ২০২৫ সালে ২০০০ এর মতো মাওবাদী নেতা ক্যাডার অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। ৮৩৬ জন মাওবাদী গ্রেপ্তার হন এবং ৩১২ জন যৌথ বাহিনীর হাতে মৃত্যুবরণ করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে এই অপারেশন কাগার ফলে সারা দেশজুড়ে মাওবাদী প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১২৬ থেকে কমে ৩-এ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ‘ লোন ভারাতু ’ (স্থানীয় গোণ্ডি ভাষায় যার অর্থ হল ‘ ঘরে ফেরা ’) নামে পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১০০০ এর বেশি মাওবাদী সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দাবি করেছেন। কেন্দ্র সরকার ও ছত্রিশগড় সরকারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত যৌথ বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত ‘ অপারেশন কাগার ’ কতটা সফল? এই প্রশ্নের উত্তরে যে তথ্য সামনে আসছে তাহল...

স্পুটনিক - ২ এর মহাকাশে (উৎক্ষেপণ) যাত্রা

স্পুটনিক - ২ এর মহাকাশে উৎক্ষেপণ / যাত্রা : The launch of Sputnik-2 into space ১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর। স্পুটনিক ২ এর মহাকাশ যাত্রা শুরু করে। ১৯৫৭ সালের আজকের দিনে বিশ্বের প্রথম মহাকাশ যাত্রী লাইকা মহাকাশে পাড়ি দেয়। লাইকা আসলে একটি কুকুর। পরীক্ষামূলকভাবে মানুষের পরিবর্তে এই কুকুরকে বেছে নেওয়া হয় মহাকাশ প্রাণের জন্য কতটা উপযুক্ত তা বোঝার জন্য। ঘটনা হল, উৎক্ষেপণের কয়েক ঘন্টা পর লাইকা মারা যায়। স্পুটনিক ২ এর মহাকাশযাত্রা ও তার ভূ-রাজনৈতিক ও নৈতিক বিশ্লেষণ I. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক ২ উৎক্ষেপণ করে, যা ছিল পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো দ্বিতীয় মহাকাশযান এবং প্রথম জীবন্ত প্রাণী বহনকারী যান। এই মিশনটি স্পুটনিক ১-এর ঐতিহাসিক সাফল্যের মাত্র এক মাস পরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর নকশা ও বাস্তবায়ন ছিল মূলত কঠোর রাজনৈতিক সময়সীমা এবং স্নায়ুযুদ্ধের কৌশলগত চাপের ফল। A. স্পুটনিক ১-এর সাফল্য এবং ‘স্পুটনিক সংকট’ ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর স্পুটনিক ১-এর উৎক্ষেপণ বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং মহাকাশ প্রতিযোগিতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাথমিক বিজয় নিশ্চিত করে । এই প্রযুক...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে