পোস্টগুলি

তথ্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

ভারতের জাতীয় সংগীত লেখার পটভূমি

ভারতের জাতীয় সংগীত লেখার পটভূমি : জনগণমন প্রথম গাওয়া হয়: ২৭ ডিসেম্বর ১৯১১ কলকাতায় গানটির পান্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, কবে ও কোথায় রচিত তাও জানা যায় না। ' ভারতের জাতীয় কংগ্রেস '-এর ২৬তম বার্ষিক অধিবেশন ২৬-২৮ ডিসেম্বর ১৯১১ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে এই গানটি প্রথম জনসমক্ষে গাওয়া হয় সমবেতকণ্ঠে, ২৭ ডিসেম্বর। গানের রিহার্সাল হয়েছিল ডা: নীলরতন সরকারের হ্যারিসন রোডের বাড়িতে, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। পরের দিন ' দ্য বেঙ্গলি পত্রিকা ' গানটির ইংরেজি অনুবাদ সহ সংবাদটি পরিবেশন করে। ' তত্ত্ববোধিনী ' পত্রিকায় (মাঘ ১৩১৮) প্রথম প্রকাশিত গানটির পরিচয় দেওয়া হয় ব্রহ্মসংগীত বলে এবং এবছরের মাঘোৎসবেও গানটি ‘ ব্রহ্মসংগীত ’ বলে গীত হয়। গানটিকে ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণের প্রস্তাব উত্থাপিত হলে রবীন্দ্রনাথের বিরোধীগণ প্রচার করেন, গানটি সম্রাট পঞ্চম জর্জের ভারতে আগমনকে উপলক্ষ করে রচিত। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র পুলিনবিহারী সেন গানটি রচনার উপলক্ষ জানতে চেয়ে রবীন্দ্রনাথকে চিঠি লিখলে তিনি তাঁকে লিখেছিলেন (২০ নভেম্বর ১৯৩৭): "...সে বৎসর ভারতসম্রাটের আগমনের আয়োজন...

নোট বাতিল ঘোষণা

নোট বাতিল ঘোষণা : Demonetization Announcement ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতে ব্যবহৃত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণা করেন। ৮ নভেম্বর রাত ৮টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন দুর্নীতি ও কালো টাকার সমস্যার সমাধানের জন্য এই নোট বাতিলের ঘোষণা করা হলো। ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এই ঘটনা ‘নোট বন্দি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

অপারেশন কাগার’ কী?

‘অপারেশন কাগার’ কী? ২০২৩ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন ২০২৬ সালের ৩১ শে মার্চের মধ্যে সমগ্র ভারতকে নকশাল মুক্ত করা হবে। এই ঘোষণা অনুযায়ী ছত্রিশগড় সরকার এবং কেন্দ্র সরকার যুগ্মভাবে মাওবাদী দমন অভিযান শুরু করে। ‘ নকশাল মুক্ত ভারত ’ গড়ার জন্য পরিচালিত এই অভিযান ‘ অপারেশন কাগার ’ নামে পরিচিত। এই অপারেশনের মাধ্যমে ২০২৫ সালে ২০০০ এর মতো মাওবাদী নেতা ক্যাডার অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। ৮৩৬ জন মাওবাদী গ্রেপ্তার হন এবং ৩১২ জন যৌথ বাহিনীর হাতে মৃত্যুবরণ করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে এই অপারেশন কাগার ফলে সারা দেশজুড়ে মাওবাদী প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১২৬ থেকে কমে ৩-এ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ‘ লোন ভারাতু ’ (স্থানীয় গোণ্ডি ভাষায় যার অর্থ হল ‘ ঘরে ফেরা ’) নামে পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১০০০ এর বেশি মাওবাদী সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দাবি করেছেন। কেন্দ্র সরকার ও ছত্রিশগড় সরকারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত যৌথ বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত ‘ অপারেশন কাগার ’ কতটা সফল? এই প্রশ্নের উত্তরে যে তথ্য সামনে আসছে তাহল...

স্পুটনিক - ২ এর মহাকাশে (উৎক্ষেপণ) যাত্রা

স্পুটনিক - ২ এর মহাকাশে উৎক্ষেপণ / যাত্রা : The launch of Sputnik-2 into space ১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর। স্পুটনিক ২ এর মহাকাশ যাত্রা শুরু করে। ১৯৫৭ সালের আজকের দিনে বিশ্বের প্রথম মহাকাশ যাত্রী লাইকা মহাকাশে পাড়ি দেয়। লাইকা আসলে একটি কুকুর। পরীক্ষামূলকভাবে মানুষের পরিবর্তে এই কুকুরকে বেছে নেওয়া হয় মহাকাশ প্রাণের জন্য কতটা উপযুক্ত তা বোঝার জন্য। ঘটনা হল, উৎক্ষেপণের কয়েক ঘন্টা পর লাইকা মারা যায়। স্পুটনিক ২ এর মহাকাশযাত্রা ও তার ভূ-রাজনৈতিক ও নৈতিক বিশ্লেষণ I. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক ২ উৎক্ষেপণ করে, যা ছিল পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো দ্বিতীয় মহাকাশযান এবং প্রথম জীবন্ত প্রাণী বহনকারী যান। এই মিশনটি স্পুটনিক ১-এর ঐতিহাসিক সাফল্যের মাত্র এক মাস পরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর নকশা ও বাস্তবায়ন ছিল মূলত কঠোর রাজনৈতিক সময়সীমা এবং স্নায়ুযুদ্ধের কৌশলগত চাপের ফল। A. স্পুটনিক ১-এর সাফল্য এবং ‘স্পুটনিক সংকট’ ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর স্পুটনিক ১-এর উৎক্ষেপণ বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং মহাকাশ প্রতিযোগিতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাথমিক বিজয় নিশ্চিত করে । এই প্রযুক...

চরম দারিদ্র’-মুক্ত রাজ্য কেরালা

‘চরম দারিদ্র’-মুক্ত রাজ্য কেরালা A state free from ‘extreme poverty’ ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে একশো শতাংশ স্বাক্ষরতার কৃতিত্ব আগেই অর্জন করেছিল কেরালা। বামশাসিত ‘ গডস ওন কান্ট্রি ’ ফের ইতিহাস গড়ল। দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে ‘ চরম দারিদ্র’-মুক্ত কেরালা— শনিবার রাজ্য বিধানসভায় এই ঘোষণা করলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন । এ দিনই ছিল কেরালার ৬৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। কেরালা আদতে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করল বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ২০২০-তে চিন ঘোষণা করেছিল যে, তাদের প্রতিটি প্রদেশই চরম দারিদ্র-মুক্ত । কেরালাকে এ দিন অভিনন্দন জানান ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং। কেরালার দাবি ঘিরে অবশ্য প্রশ্ন উঠেছে। রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ৬৮-তম বার্ষিকীতে কেরালা সরকার এই সাফল্য অর্জনের ঘোষণা করলো। ঘোষণা করলো, এখন থেকে কেরালা চরম দারিদ্র্য থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন বলেন, “নব কেরলাম (নতুন কেরালা) উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য কেরালার জীবনমানকে উন্নত দেশগুলির সমতুল্য করা, যা এখন আর দূরে নয়।” তাঁর কথায়, “আমাদের অর্থনীতি আমেরিকার তুলনায় ০.৫৫ শতাংশ। তবুও অনেক ক্ষে...

পলাশীর যুদ্ধের মূল ষড়যন্ত্রকারী

পলাশীর যুদ্ধের মূল ষড়যন্ত্রকারী : পলাশীর যুদ্ধের কথা উঠলেই যে নামগুলো প্রথমেই উঠে আসে, তাদের মধ্যে প্রধান ব্যক্তি হচ্ছেন নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। মীর জাফর আলী খাঁ । এরপর যাদের নাম নিয়ে মোটামুটি চর্চা হয় তারা হলেন নবাবের কোষাধ্যক্ষ জগৎ শেঠ , মন্ত্রী রায় দুর্লভ বা দুর্লভ রাম (রাজা মহেন্দ্র), রাজা রামনারায়ণ , রাজা কৃষ্ণ দাস এবং তাঁর পিতা ঢাকার দেওয়ান রাজা রাজবল্লভ , উমি চাঁদ , খোজা বাজিদ , ঘসেটি বেগম প্রমুখ। প্রকৃতপক্ষে এঁরা সকলেই ছিলেন পলাশীর যুদ্ধে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী । এঁরাই মূলত নবাবকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ইংরেজদের সহযোগিতা করেছিলেন। যার ফল হয়েছিল প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন ও তাদের অসহনীয় শোষণ ও নির্যাতনে ভারতীয় জনসমাজের শোচনীয় এবং করুণ পরিণতি। আরও পড়ুন :  পলাশীর যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল কিন্তু আশ্চর্যের হলেও সত্যিই, এই ‘ ষড়যন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী ’ হিসেবে খ্যাত মানুষটির নামই ইতিহাসের পাতায় পাওয়া যায় না । ইতিহাসের পাতা বলতে এখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক-এর কথা বলা হচ্ছে। উল্টে এখন তাকে ‘ বাঙালি জাতির রক...

গিগ ওয়ার্কার্স কাদের বলা হয়?

গিগ ওয়ার্কার্স কাদের বলা Who are gig workers? গিগ ওয়ার্কার্স হলেন তারা যারা নির্দিষ্ট প্রকল্প, স্বল্পমেয়াদী কাজ বা অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে আয় করেন এবং ঐতিহ্যবাহী পূর্ণকালীন চাকরির মতো একটি স্থায়ী নিয়োগকর্তা-কর্মচারী সম্পর্কে আবদ্ধ হন না। তাদের কাজের ধরন খুবই নমনীয় এবং সাধারণত তারা স্বাধীন ঠিকাদার বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন। গিগ ওয়ার্কার্স সম্পর্কে মূল তথ্য নিচে গিগ ওয়ার্কার্সের বৈশিষ্ট্য, ধরন এবং সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে সংক্ষেপে দেখানো হলো: মূল বৈশিষ্ট্য  কাজের নমনীয়তা ও স্বাধীনতা : কাজ বা প্রকল্পভিত্তিক পারিশ্রমিক; সাধারণত স্বাধীন ঠিকাদার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ; ন্যূনতম চাকরির নিশ্চয়তা সাধারণ উদাহরণ রাইডশেয়ার বা ডেলিভারি ড্রাইভার (উবার, পাঠাও); ফ্রিল্যান্স ক্রিয়েটিভ (গ্রাফিক ডিজাইনার, লেখক); অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরামর্শদাতা; ঘরোয়া সেবা প্রদানকারী (টাস্কর্যাবিট) কাজ পাবার মাধ্যম : আপ ওয়ার্ক (Upwork), ফাইভার (Fiverr) এর মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম; উবার, দোরদাশ (DoorDash)-এর মতো অ্যাপ; সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং এবং রেফারেল সুবিধা : নিজের সময় ও কাজ ...

অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি কী?

‘অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি’ কী? What is the Aphrodite method? অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি কী? অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি হল এক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে পুরুষ বন্ধ্যাত্ব নিরাময় করা যায়। পুরুষ বন্ধ্যাত্বের মূল কারণ হলো শরীরে গোনাডোট্রপিন হরমোনের অভাব। যে সমস্ত পুরুষ মানুষের শরীরে এই হরমোন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয় না, তারা এই বন্ধ্যাত্বের শিকার হন। ব্রাজিলের বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ স্যান্ড্রো এস্টিভস ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই চিকিৎসা পদ্ধতি (অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি) আবিষ্কার করেন। অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতির প্রয়োগ : অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতি  চিকিৎসা পদ্ধতিতে বন্ধ্যাত্বের শিকার পুরুষের শরীরে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় গোনাডোট্রপিন হরমোন প্রবেশ করানো হয়। ফলে পুরুষের শরীর ধীরে ধীরে শুক্রাণু উৎপাদন শুরু করে। বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ স্যান্ড্রো এস্টিভস ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রমাণ করে দেখান যে, হরমোন থেরাপির সাহায্যে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রোগ থেকে মুক্ত করা যায়। অ্যাফ্রোডাইট পদ্ধতির ফলাফল ; চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় পুরুষের বন্ধ্যাত্বকে অ্যাজোস্পার্মিয়া (বাংলায় শুক্রাণুহীনতা ) বলা হয়। অ্যা...

উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কী

উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কী? What is innovation-driven economic growth? ‘ উদ্ভাবন চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ’(innovation-driven economic growth)-র উদ্ভাবক হলেন  জোয়েল মোকির । তিনি একজন অর্থনৈতিক ইতিহাসের অধ্যাপক। তাঁর এই তত্ত্বের মূলকথা হলো — সমাজ যদি নতুন প্রযুক্তি ও নতুন জিনিসকে গ্রহণ করতে রাজি না হয়, তাহলে নয়া উদ্ভাবনের ফলে যে উন্নয়নের জোয়ার আসার কথা, তা আটকে যায়। আর তা গ্রহণ করলে ‘দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ ঘটে। জোয়েল মোকির এই ‘উদ্ভাবন চালিত প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব’  ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দেখিয়েছেন, এর জন্য প্রয়োজন ‘ কার্যকর জ্ঞানে ’র একটি নিরন্তর প্রবাহ । এই কার্যকর জ্ঞান- এর দুটি অংশ রয়েছে। প্রথমটি হল— ‘ প্রস্তাবমূলক জ্ঞান ’ (propostional knowledge) এবং দ্বিতীয়টি হল— ‘ নির্দেশকমূলক জ্ঞান ’ (prescriptive knowledge)। প্রস্তাবমূলক জ্ঞান হল প্রাকৃতিক জগতের নিয়ম-কানুনের একটি পদ্ধতিগত বর্ণনা, যা  আমাদের দেখায়, বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক নিয়মগুলো কেন কাজ করে । আর ‘ নির্দেশমূলক জ্ঞান ’ হল কিছু ব্যবহারিক নির্দেশাবলী, অংকন ইত্যাদি যা বর্ণনা করে, এই কাজ কর...

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার ২০২৫

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার ২০২৫ Nobel Prize in Economics 2025 ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর। বেলা ১১ টা. ৪৫ মিনিট। নোবেল কমিটি ২০২৫ সালের অর্থনীতিতে নোবেল প্রাইজ ঘোষণা করেন। কার্যত নোবেল প্রাইজের সমমর্যাদা সম্পন্ন হলেও এই প্রাইজের আলাদা একটা নাম দেওয়া হয়। নামটি হল— ‘ আলফ্রেড নোবেলের স্মৃতিতে অর্থনীতিতে সেভেরিজেস রিক্সব্যাঙ্ক পুরস্কার ’(The Sveriges Riksbank Prize in Economic Sciences in Memory of Alfred Nobel )। পুরস্কারের মোট মূল্য ১২ লক্ষ মার্কিন ডলার । গবেষণার বিষয় : ২০২৫ সালের এই পুরস্কার পেলেন যৌথভাবে তিনজন অর্থনীতিবিদ । এঁদের গবেষণার বিষয় ছিল যথাক্রমে : ১) ‘উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য’  জোয়েল মোকির (Joel Mokyr)।  এই তথ্যটি বিস্তারিত পড়ুন । (for having explained innovation-driven economic growth) ২) ‘প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্তগুলি চিহ্নিত করার জন্য’  ফিলিপ অ্যাঘিওন (Philippe Aghion) এবং (for having identified the prerequisites for sustained growth through technological progress) ৩) পিটার হাউইট (Peter Howitt) পে...

ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কী

ছবি
ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কী? ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কী What is Insulin Resistance? ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কেন হয়? শরীরে ইনসুলিন রেসিস্টেন্সের প্রভাব কেমন? ইনসুলিন রেসিস্টেন্স প্রতিরোধের উপায় কী? ইনসুলিন রেসিস্টেন্স কী? ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স (Insulin Resistance) হল এমন একটি অবস্থা , যেখানে শরীরের কোষগুলি অগ্ন্যাশয় (Pancreas) দ্বারা উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোনের প্রতি কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়। অর্থাৎ কোষগুলি ইনসুলিনের ডাকে সাড়া দেয় না। ইনসুলিন একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা যখন খাবার খাই, তখন গ্লুকোজ রক্তে প্রবেশ করে। ইনসুলিন এই গ্লুকোজকে শরীরের কোষগুলিতে (যেমন পেশী, চর্বি এবং যকৃৎ কোষে) প্রবেশ করতে সাহায্য করে, যাতে কোষগুলি শক্তি হিসাবে এটি ব্যবহার করতে পারে বা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কেন হয়?  বিশেষজ্ঞদের মতে, সয়াবিন , সূর্যমুখী , ভুট্টা , বা সরষের মতো তেলে থাকে কিছু ফ্যাটি এসিড । এই ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে, সে শরীরের ভেতরে প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়। এই প্রদাহ ছড়িয়ে পড়ে রক্তনালী, লিভার, অগ্নাশয় ইত্যা...

ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম-এর প্রচলন

ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম-এর প্রচলন শুরু হয় : Introduction of Indian Standard Time ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর। ভারত সরকার প্রচলন করে ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম বা আইএসটি। বাংলায় বলা হয় ভারতীয় প্রমাণ সময়। এই সময় গণনা শুরু হয় গ্রিনিস মেন টাইম থেকে পাঁচ ঘন্টা তিরিশ মিনিট আগে। ভারতের প্রমাণ সময় ধরা হয় ৮২ ডিগ্রি ৩০ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমা ওপর ভিত্তি করে। এই দ্রাঘিমা রেখাটি লন্ডনের গ্রিনিসমান মন্দির থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত, যা ভারতের এলাহাবাদ শহরের উপর দিয়ে বিস্তারিত।

সালওয়া জুডুম কী

সালওয়া জুডুম কী? What is Salwa Judum? ‘সালওয়া জুডুম’ শব্দটির অর্থ হল ‘শান্তি অভিযান’। এই শব্দটির উৎপত্তি ‘ গোন্ডি ’ নামক একটি আঞ্চলিক ভাষা থেকে। ‘গোন্ডি’ ভাষার স্থানীয় নাম কৈতুর (Koitur)।  ‘সালওয়া জুডুম’ কী? ‘সালওয়া জুডুম’ হল একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় জনজাগরণ। এই আন্দোলন গড়ে তুলতে গঠন করা হয়েছিল একটি মিলিশিয়া বাহিনী । ভারতের ছত্তিশগড ে রাজ্যের মাওবাদী দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এদের সংগঠিত এবং মোতায়েন করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলে মাওবাদী তথা  নকশালপন্থী কার্যকলাপ বন্ধ করা। স্থানীয় উপজাতি যুবকদের নিয়ে গঠিত এই মিলিশিয়া বাহিনীর কার্যকলাপকে বলা হত ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন’। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ জনজাগরণ ’। এরা ছত্তিশগড় রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সমর্থন এবং প্রশিক্ষণ পেত। পটভূমি : বলা হয়, একদিকে মাওবাদী অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে পড়ে নিরীহ গ্রামবাসীদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। নিজেদের রক্ষার পথ খুঁজতেই গ্রামবাসীদের একাংশ এই আন্দোলন শুরু করেছিল। কিন্তু কিছুদিন পরে, মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং-এর নেতৃত্বে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ...

মোনালিসা ছবি চুরি হয়

মোনালিসা ছবি চুরি হয় : The day the Mona Lisa was stolen ১৯১১ সালের ২১ আগস্ট। পৃথিবী বিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত ছবি মোনালিসা চুরি হয়ে যায়। ফ্রান্সের ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে ছবিটি চুরি করেন মিউজিয়ামেরই একজন কর্মী। দু'বছর পর ১৯১৩ সালে ছবিটি উদ্ধার হয় এবং পুনরায় মিউজিয়ামে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। মোনালিসা (Mona Lisa) : মোনালিসা হল পৃথিবী বিখ্যাত তৈলচিত্র। এই চিত্রটি ‘ লা জিওকোন্দা ’ (La Gioconda) নামেও পরিচিত। ইতালীয় রেনেসাঁসের মহান শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি  এই চিত্রটি আঁকেন। এটি বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসের ‘ ল্যুভর জাদুঘরে ’ প্রদর্শিত হয় এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে স্বীকৃত, অধ্যয়নকৃত, এবং সমাদৃত শিল্পকর্মগুলির মধ্যে একটি। ইতিহাসের সময়রেখা ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ: [১] সৃষ্টিলগ্ন (১৫০৩-১৫০৬, সম্ভবত ১৫১৭ পর্যন্ত) : ক) চিত্রশিল্পী:  লিওনার্দো দা ভিঞ্চি। খ) আদেশদাতা:   ধারণা করা হয়, ফ্লোরেন্সের একজন সফল রেশম ব্যবসায়ী ‘ ফ্রান্সেসকো দেল জিওকোন্দো ’ তাঁর স্ত্রী লিসা ঘেরার্দিনি -র একটি প্রতিকৃতি আঁকার জন্য লিওনার্দোকে নিযুক্ত করেছিলেন। এ থেকেই ইতাল...

STFI-এর প্রতিষ্ঠা দিবস

 STFI-এর প্রতিষ্ঠা দিবস Foundation Day of the School Teachers’ Federation of India ২০০০ সালের ১২ আগস্ট। স্কুল টিচার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠা দিবস। আজ STFI ২৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। আজকের দিনে ২০০০ সালে কলকাতায় এবিটিএ এবং এবিপিটিএর নেতৃত্ব সর্বভারতীয় স্তরের গনতান্ত্রিক, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠনগুলোকে নিয়ে বৃহত্তর শিক্ষক আন্দোলন গড়ে তুলতে এই সংগঠন টি গড়ে তোলা হয়। স্কুল টিচার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (STFI) হল ভারতের একটি বিশিষ্ট শিক্ষক ইউনিয়ন। এটি একটি জাতীয় স্তরের সংগঠন যা স্কুল শিক্ষকদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য কাজ করে। এই সংগঠনের প্রথম সভাপতি হয়েছিলেন এবিপিটিএর সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডি রামা রেড্ডি এবং সাধারণ সম্পাদক হন এ বি টিএ র কম. তুষার পঞ্চানন। প্রাদেশিক শিক্ষক সংগঠনগুলো যেমন নিজেদের রাজ্যে শিক্ষা আন্দোলন করে চলেছে, তেমনি আবার কেন্দ্রীয়ভাবে এসটিএফআই-এর ছাতার তলায় এক সাথে কেন্দ্রিয় সরকারের গনবিরোধী কার্যকলাপ ও শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম সংগঠিত করে চলেছে।  ইতিমধ্যে নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০, নয়া পেনশন নীতি, সরকারের অস্থায়ী কর্মচার...

দিল্লিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

দিল্লিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট Power outage in Delhi ২০১২ সালের ৩০ জুলাই। দিল্লিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। প্রায় ১৩ ঘণ্টার উপর দেশের বাইশট জেলার ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সমস্যায় পড়েন। ৩১ জুলাই পর্যন্ত এই অবস্থা চলে।

এসআইআর (SIR) কী?

এসআইআর (SIR) কী? What is SIR? ভারতীয় নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালের জুন মাসে বিহারে ভোটার তালিকার ‘ বিশেষ নিবিড় সংশোধন ’ (SIR) করার ঘোষণা দিয়েছে। এসআইআর (SIR) মানে হল ‘Special Intensive Revision of Electoral Rolls’, অর্থাৎ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা বা সমীক্ষা। এটি একটি ব্যাপক প্রক্রিয়া, যা নিয়মিত ভোটার তালিকা হালনাগাদের চেয়ে আরও বিশদ এবং গভীর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এসআইআর-এর মূল উদ্দেশ্য: ১. ত্রুটিমুক্ত ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি: ভোটার তালিকায় কোনো রকম ভুল তথ্য, যেমন - নামের ভুল, ঠিকানার ভুল, জন্মতারিখের ভুল, ইত্যাদি থাকলে তা সংশোধন করা। একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার থাকলে বা ভুয়া ভোটারের নাম থাকলে তা বাদ দেওয়া। মৃত ব্যক্তিদের নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা। স্থানান্তরিত (shifted) ভোটারদের নাম সঠিক স্থানে অন্তর্ভুক্ত করা। ২. সকল যোগ্য নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করা: যারা ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন এবং ভোটার হওয়ার যোগ্য, কিন্তু এখনো ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তাদের নাম যোগ করা। যারা অন্য কোনো কারণে বাদ পড়েছেন , তাদের নাম যাচাই করে অন্তর্ভুক্ত করা। ৩. ভ...

সাস্টেনেবল শেফ কাদের বলা হয়?

‘সাস্টেনেবল শেফ’ কাদের বলা হয়? Who are called 'sustainable chefs'? ‘ সাস্টেনেবল শেপ ’ বলার কারণ রান্না সম্পর্কে আমার দর্শন তা কৃষি, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যতের প্রতি দায়িত্ববোধে নিহিত।। সাসটেইনবল খাবার চর্চার মূল বৈশিষ্ট্য হল অর্গানিক ও স্থানীয় পণ্যের ব্যবহার এবং স্থানীয় উৎপাদকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ। আমার কাছে খাবার শুধু সাধের বিষয়ে নয়। আমি এমন খাবার ডিজাইন করি যাতে সম্পূর্ণ উপাদান ব্যবহার করা যায় অপচয় কম হয়।  একজন সাসটেইনেবল শেখ হওয়া কোন ট্রেন নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতিকে রক্ষা করার কৃষকদের ক্ষমতায়নের এবং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রান্না করার প্রতিশ্রুতি।  বিশ্বের যেখানেই যাই না কেন নিরামিষ খাবার রান্নাতেই আমার আনন্দ। বেঙ্গালুরুর ‘স্ট্রিট স্টোরিজ’ এরই এক সফল উদাহরণ। এখানে স্থানীয় কৃষকরা চুক্তি অনুযায়ী স্থানীয় পণ্য সরবরাহ করেন। প্রাণিজ খাবারের তুলনায় শাকসবজি বেশি সুস্থায়ী। এতে কার্বন কম থাকে।  অর্গানিক পণ্য ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাতে চাষের জন্য কম জল জমি ও বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হয়। অর্গানিক খাদ্য গ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের বিষয় নয়, এটি পরিবে...

বিরল খনিজ কাকে বলে?

বিরল খনিজ কাকে বলে? What is a rare mineral? রাসায়নিক পর্যায় সারণির ল্যান্থানাইট ফ্রিজের সিরিজের ১৫ টি মৌল যাদের আণবিক সংখ্যা ৫৭ থেকে ৭১ তাদের ‘ বিরল খনিজ মৌল ’ বলা হয়। এদের সঙ্গে রয়েছে আরও দুটো মৌল। স্ক্যান্ডিয়াম ও ইট্রিয়াম। এদের সবকটি মৌলই মাটিতে পাওয়া যায়।  এদের বিরল বলার কারণ হলো এদের প্রক্রিয়াকরণ খুবই জটিল। তাই সারা পৃথিবীতে এদের যোগান চাহিদার তুলনায় খুবই কম। পরিবেশগত নিয়মকানুন মেনে নিষ্কাশন আর পরিশোধন করতে উৎপাদনের খরচ খুবই বেড়ে যায়।  দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সমস্ত অত্যাধুনিক পণ্যেই এদের প্রয়োজন অপরিহার্য মোবাইল ফোন কম্পিউটার টেলিভিশন গাড়ি থেকে শুরু করে বিচিত্র সব পণ্যের মধ্যেই আছে চুম্বক। এই চুম্বকগুলি লোহা দিয়ে তৈরি নয়। এরা বিরল খনিজ পদার্থ দিয়ে তৈরি। চিকিৎসার সরঞ্জাম সামরিক সরঞ্জাম যোগাযোগ প্রযুক্তি আর অপ্রচলিত শক্তি সবকিছুই নির্ভর করে এই বিশেষ প্রাকৃতিক সম্পদের উপর যা বিরল খনিজ মৌল নামে পরিচিত। পেট্রোলিয়াম পরিশোধনের জন্য ব্যবহৃত হয় সেরিয়াম।  পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে একমাত্র গেডোলিয়ামের জন্য । ইলেকট্রিক গাড়ি...

পৃথিবীর শীতলতম স্থায়ী জনবসতি

পৃথিবীর শীতলতম স্থায়ী জনবসতি The coldest permanent settlement in the world The-coldest-permanent-settlement-in-the-world ওইমিয়াকন (Oymyakon): পৃথিবীর শীতলতম স্থায়ী জনবসতি। সাধারণ তথ্য : অবস্থান :  সাইবেরিয়া, রাশিয়া (সাখা প্রজাতন্ত্র বা ইয়াকুটিয়া অঞ্চল)। জনসংখ্যা :  প্রায় ৫০০-৯০০ জন (স্থানীয় ইয়াকুত ও রাশিয়ান)। নিকটতম শহর :  ইয়াকুটস্ক (প্রায় ৯২৮ কিমি দূরে)। গড় শীতকালীন তাপমাত্রা :  -৫০°C (জানুয়ারিতে গড় -৫৮°C পর্যন্ত নামে)। রেকর্ড সর্বনিম্ন তাপমাত্রা :  -৭১.২°C (১৯২৪ সালে রেকর্ড করা হয়েছে)। জীবনযাত্রার চ্যালেঞ্জ  1. অবিশ্বাস্য শীত : - শীতকালে দিনমাত্র ৩ ঘণ্টা আলো থাকে। - গাড়ি চালাতে হলে ইঞ্জিন অবিরাম জ্বালিয়ে রাখতে হয়, জমে বিকল হয়ে যায়। - মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস often কাজ করে না।   2. খাদ্যাভ্যাস : - তাজা শাকসবজি পাওয়া দুষ্কর, তাই স্থানীয়রা mainly মাংস (রেনডিয়ার, ঘোড়া, মাছ) ও দুগ্ধজাত খাবার খায়। - বরফের মাছ (ফ্রোজেন ফিশ) একটি জনপ্রিয় খাবার, যা কাঁচাই খাওয়া হয়! 3. আবাসন ও পোশাক : - বাড়িগুলো কাঠের তৈরি, যাত...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে