পোস্টগুলি

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

ভারতের জাতীয় পতাকার প্রকৃত রূপকার

ছবি
ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস : প্রকৃত রূপকার কে? ভারতের জাতীয় পতাকার বিবর্তনের মূল দুই ব্যক্তিত্ব—বাঁ দিকে প্রাথমিক নকশাকারী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া এবং ডান দিকে চূড়ান্ত রূপ দানকারী সুরাইয়া তৈয়বজি। তাঁদের অবদানকে সম্মানিত করতে তৈরি তথ্য তালাশ-এর বিশেষ চিত্রপট। আজ স্বাধীন ভারতের ৮০ তম বৎসরে পদার্পণের দিন। আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিন প্রথম উড্ডীন হয় ভারতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা। ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস শুধু একটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের বিবর্তন নয়, এটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেরও এক জীবন্ত দলিল । বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিবর্তন নিয়ে যারা জানতে চান, আজকের আলোচনাটি তাদের জন্য। জাতীয় পতাকার প্রকৃত নক্সাকার কে ছিলেন? ভারতের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাটি পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya)-র করা বলে বহুল প্রচলিত থাকলেও, প্রকৃত অর্থে বর্তমান পতাকার চূড়ান্ত রূপটি এসেছে সুরাইয়া বদরুদ্দিন তৈয়বজি  (Surayya Badr-ud-Din Tyabji)-র হাত ধরে। ইতিহাসবিদদের মতে, পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়...

বিনা মেঘে বজ্রাঘাত: আসলে কী?

ছবি
বিনা মেঘে বজ্রাঘাত কী এবং এর থেকে বাঁচার ৩০/৩০ নিয়ম (30/30 Rule) বজ্রপাতের আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে ৩০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ের ব্যবধান থাকলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান এবং শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এটিই হলো ৩০/৩০ নিয়ম। ❚ ৩০/৩০ নিয়ম কী : ⛅  এটি একটি সহজ, বিজ্ঞানভিত্তিক সূত্র, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। বজ্রপাত নিরাপত্তার পরিভাষায় এটি সর্বজনবিদিত ৩০/৩০ নিয়ম  (30/30 Rule)  নামেই পরিচিত । ❚ এই নিয়ম কীভাবে কাজ করে : মূলত এই নিয়ম বা সূত্র প্রধানত দুটি ধাপে কাজ করে— 📌 [১] প্রথম ৩০ সেকেন্ড (আশ্রয় নেওয়ার সময়) ✅ প্রথম সূত্র :  যখন আপনি বজ্রপাতের আলো (Lightning Flash) দেখতে পাবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেকেন্ড গোনা শুরু করুন। ✅ দ্বিতীয় সূত্র :  এরপর যেই মুহূর্তে মেঘের গর্জন (Thunder) কানে আসবে, তখনই গণনা শেষ করুন । ✅ তৃতীয় সূত্র :  যদি দেখা যায় আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে সময়ের ব্যবধান মাত্র ৩০ সেকেন্ড বা তার কম , তার মানে বজ্রপাতের ক্ষেত্রটি (চোখ) আপনার অত্যন্ত কাছে আছে। মোটামুটি  প্রায় ১০ কিলোমিটারের...

কারচুপির কাজ কী?

ছবি
‘কারচুপির কাজ’ কী? চিত্র: ফারসি 'কারচোব' (কাঠের ফ্রেম) থেকে বাংলা 'কারচুপি' শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর। ‘কারচুপির কাজ’ হলো সুঁই-সুতার এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ সূচিকর্ম (Embroidery), যা প্রধানত সোনা-রূপার সুতো (জরি), চুমকি, পুঁতি এবং নানারকম পাথর কাপড়ের ওপর বসিয়ে করা হয়। মধ্যযুগ ও মোগল আমলে রাজকীয় পোশাক এবং সাজসজ্জার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল এই শিল্প । কারচুপির কাজের মূল বৈশিষ্ট্য  : কাঠামো বা ফ্রেম (আড্ডা): ‘কারচুপি’ শব্দটির একটি সম্ভাব্য উৎস হলো কাঠের ফ্রেম। এই কাজের জন্য কাপড়টিকে প্রথমে একটি বড় চারকোনা কাঠের ফ্রেমের (যাকে কারিগররা ‘আড্ডা’ বলেন) ওপর টানটান করে বাঁধা হয়। কাপড়টি ড্রামের মতো টানটান থাকে বলেই এর ওপর ভারী সুনিপুণ কাজ করা সহজ হয়। বিশেষ সুঁই (Aari Needle): সাধারণ সুঁইয়ের বদলে এই কাজে এক ধরণের বিশেষ হুক-যুক্ত সুঁই ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে কাপড়ের নিচ থেকে সুতো টেনে ওপরে এনে চেইন স্টিচের মাধ্যমে পুঁতি বা চুমকিগুলো কাপড়ে আটকানো হয়। ব্যবহৃত উপাদান: জরির সুতো, মেটালিক স্প্রিং (দবকা), নানারকম কাঁচের পুঁতি, কুন্দন, পাথর এবং ঝকঝকে চুমকি। ত্রিমাত্রিক...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে