পোস্টগুলি

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

কারচুপির কাজ কী?

ছবি
‘কারচুপির কাজ’ কী? চিত্র: ফারসি 'কারচোব' (কাঠের ফ্রেম) থেকে বাংলা 'কারচুপি' শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর। ‘কারচুপির কাজ’ হলো সুঁই-সুতার এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ সূচিকর্ম (Embroidery), যা প্রধানত সোনা-রূপার সুতো (জরি), চুমকি, পুঁতি এবং নানারকম পাথর কাপড়ের ওপর বসিয়ে করা হয়। মধ্যযুগ ও মোগল আমলে রাজকীয় পোশাক এবং সাজসজ্জার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল এই শিল্প । কারচুপির কাজের মূল বৈশিষ্ট্য  : কাঠামো বা ফ্রেম (আড্ডা): ‘কারচুপি’ শব্দটির একটি সম্ভাব্য উৎস হলো কাঠের ফ্রেম। এই কাজের জন্য কাপড়টিকে প্রথমে একটি বড় চারকোনা কাঠের ফ্রেমের (যাকে কারিগররা ‘আড্ডা’ বলেন) ওপর টানটান করে বাঁধা হয়। কাপড়টি ড্রামের মতো টানটান থাকে বলেই এর ওপর ভারী সুনিপুণ কাজ করা সহজ হয়। বিশেষ সুঁই (Aari Needle): সাধারণ সুঁইয়ের বদলে এই কাজে এক ধরণের বিশেষ হুক-যুক্ত সুঁই ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে কাপড়ের নিচ থেকে সুতো টেনে ওপরে এনে চেইন স্টিচের মাধ্যমে পুঁতি বা চুমকিগুলো কাপড়ে আটকানো হয়। ব্যবহৃত উপাদান: জরির সুতো, মেটালিক স্প্রিং (দবকা), নানারকম কাঁচের পুঁতি, কুন্দন, পাথর এবং ঝকঝকে চুমকি। ত্রিমাত্রিক...

সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

‘সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব সি৯ লীগ (C9 League) হলো চীনের শীর্ষস্থানীয় ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ জোট, যেখানে আইভি লীগ (Ivy League) হলো উত্তর-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্রীড়া সম্মেলন, যা পরবর্তীতে শিক্ষাগত উৎকর্ষের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই দুটি জোটই নিজ নিজ দেশের উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নির্ধারণ করে এবং বৈশ্বিক গবেষণা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সি৯ লীগ চীনের ৯টি শীর্ষস্থানীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভিজাত জোট । এই জোটের সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: 1. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় 2. সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় 3. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় 4. সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয় 5. নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় 6. চচিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় 7. চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 8. হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি 9. শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয় আরও জানুন হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এইচআইটি): চিনের ‘মহাকাশ স্বপ্নের সূতিকাগার’ ও এক শতাব্দীর প্রযুক্তিগত সাফল্যের কাহিনি → ...

রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণের ইতিহাস

রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণের ইতিহাস কলকাতার ইতিহাসের অন্যতম প্রধান সাক্ষী হলো ‘ রাইটার্স বিল্ডিং ’ বা ‘ মহাকরণ ’। লাল ইটের এই বিশাল স্থাপত্যটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এটি ব্রিটিশ আমল থেকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু। রাইটার্স বিল্ডিং গড়ে ওঠা ও বিবর্তনের ইতিহাস নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. সূচনালগ্ন (১৭৭৭ - ১৭৮০) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে কনিষ্ঠ কেরানিদের ‘ রাইটার ’ (Writer) বলা হতো। এই তরুণ অফিসারদের থাকার জায়গার অভাব মেটাতে ১৭৭৭ (মতান্তরে ১৭৭৬) সালে একটি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। স্থপতি : থমাস লায়ন (Thomas Lyon)। উদ্দেশ্য : মূলত এটি ছিল কোম্পানি রাইটারদের জন্য একটি মেস বা আবাসন। ১৭৮০ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। অবস্থান: বিবাদী বাগ (তৎকালীন ডালহৌসি স্কয়ার) এলাকার লাল দিঘির ঠিক পাশেই এটি নির্মিত হয়। আয়তন :   ১৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ৫৫ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে এই প্রশাসনিক ভবন বিস্তৃত। ২. স্থাপত্যের বিবর্তন ও প্রসারণ শুরুতে রাইটার্স বিল্ডিং দেখতে আজকের মতো রাজকীয় ছিল না; এটি ছিল সাধারণ তিনতলা একটি লম্বা ভবন...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে