পোস্টগুলি

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

বিশ্ব প্রবীণ দিবস: প্রবীণদের মর্যাদা ও অধিকারের হালহকিকত

ছবি
বিশ্ব প্রবীণ দিবস: প্রবীণদের মর্যাদা, অধিকার ও আমাদের কর্তব্য আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ | চিত্র সৌজন্যে: তথ্য তালাশ  প্রতিবছর ১ অক্টোবর সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিন পালন নয়; বরং প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা, কল্যাণ এবং সমাজে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি বৈশ্বিক আহ্বান। বর্তমান বিশ্বে মানব ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব জনমিতিক পরিবর্তন ঘটে চলেছে—যেখানে ৬৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রবীণ দিবসের তাৎপর্য আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক পটভূমি ও প্রতিষ্ঠার পথচলা প্রবীণদের অধিকার ও কল্যাণের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্ব পেতে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে। ১৯৮২ সালে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব বার্ধক্য সম্মেলনে’ বার্ধক্য সংক্রান্ত ‘ভিয়েনা আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা’ গৃহীত হয়, যা প্রবীণদের সমস্যা ও সম্ভাবনাকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ঐতিহাসিক...

চিন্তা ও চেতনার পার্থক্য কী?

ছবি
চিন্তা ও চেতনার পার্থক্য কী? মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা এবং চেতনার সূক্ষ্ম পার্থক্য। ভূমিকা : চিন্তা (Thought) এবং চেতনা (Consciousness)  হল মনস্তত্ত্ব ও দর্শন শাস্ত্রের অতি পরিচিত দুটি পরিভাষা। এই পরিভাষার সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। কিন্তু শব্দ দুটির অর্থ কী, কখন, কোথায়, এবং কী অর্থে এরা ব্যবহৃত হয়, তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। ব্যাপারটা যেন খানিকটা এরকম— বিষয়টি বুঝি কিন্তু বোঝাতে পারিনা। এক নজরে | চিন্তা ও চেতনা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, চেতনা এবং চিন্তা হল মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের দুটি পরিচিত পরিভাষা। এদের মধ্যে চেতনা হলো এমন একটি  প্রাথমিক অনুভব বা আধার , যা নিজেই নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দেয়।  অন্যদিকে চিন্তা হলো সেই চেতনার ওপর ভর করে পরিচালিত একগুচ্ছ মানসিক প্রক্রিয়া বা কার্যকলাপ যা মানুষকে সক্রিয় করে তোলে। ১. মৌলিক সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা : বিষয়টি আমরা এভাবে সংজ্ঞায়িত ও ব্যাখ্যা করতে পারি— [ক] চেতনা (Consciousness):   চেতনা হল এমন এক প্রাথমিক অনুভব বা শক্তি যা যেকোনো ব্যক্তি বা জীবের নিজের অস্তিত্বের কথা অনুভব করতে সক্...

‘রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার’ কী?

ছবি
‘রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার’ কী? যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে শান্তির আহ্বান: রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহারের মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা। এটি সেই মানুষের শেষ বার্তা, যিনি মানব বুদ্ধি যত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে তার প্রতীক ছিলেন — তিনি আমাদের কাছে অনুরোধ রেখে গেছেন, যেন মানবের মূর্খতা দিয়ে এই সবকিছুকে ধ্বংস হতে না দেওয়া হয়। জোসেফ রটব্লাট (Joseph Rotblat) [ ইশতেহারের ১১ জন স্বাক্ষরকারীর একজন এবং পরবর্তীতে পাগওয়াশ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা।] রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার হলো ১৯৫৫ সালের ৯ জুলাই লন্ডনে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র। স্নায়ুযুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিশ্বকে সতর্ক করতে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানাতে এটি প্রকাশ করা হয়। এটি প্রখ্যাত দার্শনিক ও গণিতবিদ বার্ট্রান্ড রাসেল এবং বিখ্যাত পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন-এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল। 📜 পটভূমি ও উদ্দেশ্য ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার পর এবং এরপর হাইড্রোজেন বোমার বিকাশের ফলে বিশ্ব একটি ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রাসেল ও আইনস্টাই...

কেতকী কুশারী ডাইসন: বাংলা ভাষার এক বিশ্বনাগরিকের বিদায়

কেতকী কুশারী ডাইসন: দেশ ছাড়িয়ে ভাষা বাঁচিয়ে রাখার কান্ডারী কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেলেন। বাংলা ভাষার এক বিশ্বনাগরিকের বিদায়। কিন্তু এই নাগরিকের প্রকৃত ঠিকানা কোথায় ছিল? কলকাতায় জন্ম, পূর্ববঙ্গের শিকড়, অক্সফোর্ডে বসবাস— এই ভূগোলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই একবার লিখেছিলেন, "আমার লেখক পরিচয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রবল দ্বিসাংস্কৃতিক ও দ্বিভাষিকতা।" এই স্বীকারোক্তি তাঁর সাহিত্যিক অভিযানের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি শুধু দুই ভাষায় লিখতেন না, দুই ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতেন পরস্পরের ভেতর। তাঁর মৃত্যুতে আমরা হারালাম এমন এক লেখককে, যিনি প্রমাণ করেছিলেন দেশ ছাড়া মানুষ ভাষা হারায় না, বরং ভাষা তখন আরও গভীরে গেঁথে যায়। ১৯৪০ সালের ২৬ জুন কলকাতায় জন্ম, কিন্তু পৈতৃক সূত্রে পূর্ববঙ্গের কুষ্টিয়ার সঙ্গে যোগ। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে রেকর্ড নম্বর পাওয়া মেধাবী ছাত্রীটি যখন ১৯৬০ সালে অক্সফোর্ডের পথে পাড়ি দেন, তখন তাঁর বয়স মাত্র কুড়ি। অক্সফোর্ডে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণদের মধ্যে তিনিই প্রথম ভারতীয় নারী। কিন্তু এই অসাধারণ অ্যাকাডেমিক সাফল্যের পরও তিনি এমন একটি...

পৃথিবীর মানচিত্রের পরিবর্তন : কীভাবে এবং কেন?

ছবি
পৃথিবীর মানচিত্রের পরিবর্তন : কীভাবে এবং কেন করা হয়েছে? জাতিসংঘ ও ইউনেস্কোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ব মানচিত্রের ঐতিহাসিক পরিবর্তন, কারণ ও তার প্রভাব। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (UN) এবং ইউনেস্কো (UNESCO) প্রচলিত মেরকেটর প্রজেকশন (Mercator Projection) মানচিত্রের আয়তনজনিত বিকৃতি দূর করতে এবং মহাদেশগুলোর সঠিক ভৌগোলিক অনুপাত প্রতিফলনের জন্য সমান-আয়তন প্রজেকশন (যেমন গ্যাল-পিটার্স প্রজেকশন ) ব্যবহারের ওপর জোর দেয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৬ শতকের পুরনো ‘ মার্কেটর প্রজেকশন ’ মানচিত্রের পরিবর্তে মহাদেশগুলোর সঠিক আয়তন প্রদর্শনকারী ‘ ইকুয়াল আর্থ ’ (Equal Earth) প্রজেকশন ব্যবহারের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। মানচিত্র পরিবর্তনের মূল কারণসমূহ: ১) আয়তনের বিকৃতি রোধ:  ১৫৬৯ সালে নাবিকদের দিকনির্ণয়ের সুবিধার্থে তৈরি মেরকেটর মানচিত্রে বিষুবরেখা থেকে দূরবর্তী অঞ্চলগুলোকে (যেমন গ্রিনল্যান্ড, ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকা) তাদের প্রকৃত আকারের চেয়ে অনেক বড় দেখায়। ২) প্রকৃত ভৌগোলিক অনুপাত:  আফ্রিকা মহাদেশ প্রকৃতপক্ষে গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বড়, কিন্তু প্রচলিত মানচিত...

ভারতের জাতীয় পতাকার প্রকৃত রূপকার

ছবি
ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস : প্রকৃত রূপকার কে? ভারতের জাতীয় পতাকার বিবর্তনের মূল দুই ব্যক্তিত্ব—বাঁ দিকে প্রাথমিক নকশাকারী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া এবং ডান দিকে চূড়ান্ত রূপ দানকারী সুরাইয়া তৈয়বজি। তাঁদের অবদানকে সম্মানিত করতে তৈরি তথ্য তালাশ-এর বিশেষ চিত্রপট। আজ স্বাধীন ভারতের ৮০ তম বৎসরে পদার্পণের দিন। আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিন প্রথম উড্ডীন হয় ভারতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা। ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস শুধু একটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের বিবর্তন নয়, এটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেরও এক জীবন্ত দলিল । বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিবর্তন নিয়ে যারা জানতে চান, আজকের আলোচনাটি তাদের জন্য। জাতীয় পতাকার প্রকৃত নক্সাকার কে ছিলেন? ভারতের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাটি পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya)-র করা বলে বহুল প্রচলিত থাকলেও, প্রকৃত অর্থে বর্তমান পতাকার চূড়ান্ত রূপটি এসেছে সুরাইয়া বদরুদ্দিন তৈয়বজি  (Surayya Badr-ud-Din Tyabji)-র হাত ধরে। ইতিহাসবিদদের মতে, পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়...

বিনা মেঘে বজ্রাঘাত: আসলে কী?

ছবি
বিনা মেঘে বজ্রাঘাত কী এবং এর থেকে বাঁচার ৩০/৩০ নিয়ম (30/30 Rule) বজ্রপাতের আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে ৩০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ের ব্যবধান থাকলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান এবং শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এটিই হলো ৩০/৩০ নিয়ম। ❚ ৩০/৩০ নিয়ম কী : ⛅  এটি একটি সহজ, বিজ্ঞানভিত্তিক সূত্র, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। বজ্রপাত নিরাপত্তার পরিভাষায় এটি সর্বজনবিদিত ৩০/৩০ নিয়ম  (30/30 Rule)  নামেই পরিচিত । ❚ এই নিয়ম কীভাবে কাজ করে : মূলত এই নিয়ম বা সূত্র প্রধানত দুটি ধাপে কাজ করে— 📌 [১] প্রথম ৩০ সেকেন্ড (আশ্রয় নেওয়ার সময়) ✅ প্রথম সূত্র :  যখন আপনি বজ্রপাতের আলো (Lightning Flash) দেখতে পাবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেকেন্ড গোনা শুরু করুন। ✅ দ্বিতীয় সূত্র :  এরপর যেই মুহূর্তে মেঘের গর্জন (Thunder) কানে আসবে, তখনই গণনা শেষ করুন । ✅ তৃতীয় সূত্র :  যদি দেখা যায় আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে সময়ের ব্যবধান মাত্র ৩০ সেকেন্ড বা তার কম , তার মানে বজ্রপাতের ক্ষেত্রটি (চোখ) আপনার অত্যন্ত কাছে আছে। মোটামুটি  প্রায় ১০ কিলোমিটারের...

কে.সি.নাগ জীবনী: অঙ্কের জাদুকরের অজানা কাহিনি | Keshab Chandra Nag

ছবি
অঙ্কের জাদুকর কে.সি.নাগ : জীবন, সাধনা ও অন্তরাল গণিতশিল্পী কে. সি. নাগ (১৮৯৩–১৯৮৭): যাঁর হাতের ছোঁয়ায় সহজ হয়ে উঠেছিল অঙ্ক শাস্ত্র। বাঙালি ছাত্রসমাজের কাছে ‘ কে.সি.নাগ ’ (Keshab Chandra Nag) একটি চিরপরিচিত নাম। তৈলাক্ত বাঁশে বাঁদরের ওঠা-নামা, চৌবাচ্চার নল দিয়ে জল নিকাশি কিংবা পিতা-পুত্রের বয়সের জটিল হিসাব— এই সবের সহজ সমাধান লুকিয়ে থাকত যাঁর বইতে, তিনি আর কেউ নন, প্রবাদপ্রতিম গণিতশিল্পী কেশব চন্দ্র নাগ। তবে তাঁর এই গাণিতিক পরিচিতির আড়ালে চাপা পড়ে গেছে এক গভীর জ্ঞানপিপাসু, সাহিত্যপ্রেমী, সমাজসংস্কারক এবং মুক্তিকামী মানুষের ইতিহাস । জন্ম ও পারিবারিক পটভূমি কেশব চন্দ্র নাগ ১৮৯৩ সালের ১০ই জুলাই (১৩০০ বঙ্গাব্দের ২৬শে আষাঢ়) হুগলি জেলার গুড়াপের নাগপাড়ায় এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মের দিনটি ছিল পবিত্র রথযাত্রা । তাঁর পিতা রঘুনাথ নাগ এবং মাতা ক্ষীরোদাসুন্দরী দেবী । কেশব চন্দ্রের বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখন তাঁর পিতৃবিয়োগ ঘটে। চরম আর্থিক অনটন ও প্রতিকূলতার মধ্যে মা ক্ষীরোদাসুন্দরী দেবীর একক স্নেহে ও শাসনে তাঁর শৈশব অতিবাহিত হয়। পরিবার ও সন্তান : স্ত্রী ও সন্তান: উইকিপিডিয়া ...

কারচুপির কাজ কী?

ছবি
‘কারচুপির কাজ’ কী? চিত্র: ফারসি 'কারচোব' (কাঠের ফ্রেম) থেকে বাংলা 'কারচুপি' শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর। ‘কারচুপির কাজ’ হলো সুঁই-সুতার এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ সূচিকর্ম (Embroidery), যা প্রধানত সোনা-রূপার সুতো (জরি), চুমকি, পুঁতি এবং নানারকম পাথর কাপড়ের ওপর বসিয়ে করা হয়। মধ্যযুগ ও মোগল আমলে রাজকীয় পোশাক এবং সাজসজ্জার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল এই শিল্প । কারচুপির কাজের মূল বৈশিষ্ট্য  : কাঠামো বা ফ্রেম (আড্ডা): ‘কারচুপি’ শব্দটির একটি সম্ভাব্য উৎস হলো কাঠের ফ্রেম। এই কাজের জন্য কাপড়টিকে প্রথমে একটি বড় চারকোনা কাঠের ফ্রেমের (যাকে কারিগররা ‘আড্ডা’ বলেন) ওপর টানটান করে বাঁধা হয়। কাপড়টি ড্রামের মতো টানটান থাকে বলেই এর ওপর ভারী সুনিপুণ কাজ করা সহজ হয়। বিশেষ সুঁই (Aari Needle): সাধারণ সুঁইয়ের বদলে এই কাজে এক ধরণের বিশেষ হুক-যুক্ত সুঁই ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে কাপড়ের নিচ থেকে সুতো টেনে ওপরে এনে চেইন স্টিচের মাধ্যমে পুঁতি বা চুমকিগুলো কাপড়ে আটকানো হয়। ব্যবহৃত উপাদান: জরির সুতো, মেটালিক স্প্রিং (দবকা), নানারকম কাঁচের পুঁতি, কুন্দন, পাথর এবং ঝকঝকে চুমকি। ত্রিমাত্রিক...

সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

ছবি
‘সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব চীনের শীর্ষ ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘সি৯ লীগ’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘আইভি লীগ’-এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্বের তুলনামূলক চিত্র। সি৯ লীগ (C9 League) হলো চীনের শীর্ষস্থানীয় ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ জোট, যেখানে আইভি লীগ (Ivy League) হলো উত্তর-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্রীড়া সম্মেলন, যা পরবর্তীতে শিক্ষাগত উৎকর্ষের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই দুটি জোটই নিজ নিজ দেশের উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নির্ধারণ করে এবং বৈশ্বিক গবেষণা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সি৯ লীগ চীনের ৯টি শীর্ষস্থানীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভিজাত জোট । এই জোটের সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: 1. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় 2. সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় 3. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় 4. সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয় 5. নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় 6. চচিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় 7. চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 8. হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি 9. শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয় ...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ।

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে।