পোস্টগুলি

2026 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিখ্যাত : তথ্য। তারিখ। মাস। বছর। বিষয়। ব্যক্তি খুঁজুন :

ভারতের জাতীয় পতাকার প্রকৃত রূপকার

ছবি
ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস : প্রকৃত রূপকার কে? ভারতের জাতীয় পতাকার বিবর্তনের মূল দুই ব্যক্তিত্ব—বাঁ দিকে প্রাথমিক নকশাকারী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া এবং ডান দিকে চূড়ান্ত রূপ দানকারী সুরাইয়া তৈয়বজি। তাঁদের অবদানকে সম্মানিত করতে তৈরি তথ্য তালাশ-এর বিশেষ চিত্রপট। আজ স্বাধীন ভারতের ৮০ তম বৎসরে পদার্পণের দিন। আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিন প্রথম উড্ডীন হয় ভারতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা। ভারতের জাতীয় পতাকার ইতিহাস শুধু একটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের বিবর্তন নয়, এটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেরও এক জীবন্ত দলিল । বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা, এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিবর্তন নিয়ে যারা জানতে চান, আজকের আলোচনাটি তাদের জন্য। জাতীয় পতাকার প্রকৃত নক্সাকার কে ছিলেন? ভারতের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাটি পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya)-র করা বলে বহুল প্রচলিত থাকলেও, প্রকৃত অর্থে বর্তমান পতাকার চূড়ান্ত রূপটি এসেছে সুরাইয়া বদরুদ্দিন তৈয়বজি  (Surayya Badr-ud-Din Tyabji)-র হাত ধরে। ইতিহাসবিদদের মতে, পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়...

বিনা মেঘে বজ্রাঘাত: আসলে কী?

ছবি
বিনা মেঘে বজ্রাঘাত কী এবং এর থেকে বাঁচার ৩০/৩০ নিয়ম (30/30 Rule) বজ্রপাতের আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে ৩০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ের ব্যবধান থাকলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান এবং শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এটিই হলো ৩০/৩০ নিয়ম। ❚ ৩০/৩০ নিয়ম কী : ⛅  এটি একটি সহজ, বিজ্ঞানভিত্তিক সূত্র, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। বজ্রপাত নিরাপত্তার পরিভাষায় এটি সর্বজনবিদিত ৩০/৩০ নিয়ম  (30/30 Rule)  নামেই পরিচিত । ❚ এই নিয়ম কীভাবে কাজ করে : মূলত এই নিয়ম বা সূত্র প্রধানত দুটি ধাপে কাজ করে— 📌 [১] প্রথম ৩০ সেকেন্ড (আশ্রয় নেওয়ার সময়) ✅ প্রথম সূত্র :  যখন আপনি বজ্রপাতের আলো (Lightning Flash) দেখতে পাবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেকেন্ড গোনা শুরু করুন। ✅ দ্বিতীয় সূত্র :  এরপর যেই মুহূর্তে মেঘের গর্জন (Thunder) কানে আসবে, তখনই গণনা শেষ করুন । ✅ তৃতীয় সূত্র :  যদি দেখা যায় আলো দেখা ও গর্জন শোনার মধ্যে সময়ের ব্যবধান মাত্র ৩০ সেকেন্ড বা তার কম , তার মানে বজ্রপাতের ক্ষেত্রটি (চোখ) আপনার অত্যন্ত কাছে আছে। মোটামুটি  প্রায় ১০ কিলোমিটারের...

কারচুপির কাজ কী?

ছবি
‘কারচুপির কাজ’ কী? চিত্র: ফারসি 'কারচোব' (কাঠের ফ্রেম) থেকে বাংলা 'কারচুপি' শব্দের উৎপত্তি ও রূপান্তর। ‘কারচুপির কাজ’ হলো সুঁই-সুতার এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ সূচিকর্ম (Embroidery), যা প্রধানত সোনা-রূপার সুতো (জরি), চুমকি, পুঁতি এবং নানারকম পাথর কাপড়ের ওপর বসিয়ে করা হয়। মধ্যযুগ ও মোগল আমলে রাজকীয় পোশাক এবং সাজসজ্জার একটি প্রধান অঙ্গ ছিল এই শিল্প । কারচুপির কাজের মূল বৈশিষ্ট্য  : কাঠামো বা ফ্রেম (আড্ডা): ‘কারচুপি’ শব্দটির একটি সম্ভাব্য উৎস হলো কাঠের ফ্রেম। এই কাজের জন্য কাপড়টিকে প্রথমে একটি বড় চারকোনা কাঠের ফ্রেমের (যাকে কারিগররা ‘আড্ডা’ বলেন) ওপর টানটান করে বাঁধা হয়। কাপড়টি ড্রামের মতো টানটান থাকে বলেই এর ওপর ভারী সুনিপুণ কাজ করা সহজ হয়। বিশেষ সুঁই (Aari Needle): সাধারণ সুঁইয়ের বদলে এই কাজে এক ধরণের বিশেষ হুক-যুক্ত সুঁই ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে কাপড়ের নিচ থেকে সুতো টেনে ওপরে এনে চেইন স্টিচের মাধ্যমে পুঁতি বা চুমকিগুলো কাপড়ে আটকানো হয়। ব্যবহৃত উপাদান: জরির সুতো, মেটালিক স্প্রিং (দবকা), নানারকম কাঁচের পুঁতি, কুন্দন, পাথর এবং ঝকঝকে চুমকি। ত্রিমাত্রিক...

সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

ছবি
‘সি৯ লীগ বনাম আইভি লীগ: তুলনামূলক পর্যালোচনা, উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব চীনের শীর্ষ ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘সি৯ লীগ’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড় ‘আইভি লীগ’-এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্বের তুলনামূলক চিত্র। সি৯ লীগ (C9 League) হলো চীনের শীর্ষস্থানীয় ৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ জোট, যেখানে আইভি লীগ (Ivy League) হলো উত্তর-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্রীড়া সম্মেলন, যা পরবর্তীতে শিক্ষাগত উৎকর্ষের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই দুটি জোটই নিজ নিজ দেশের উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নির্ধারণ করে এবং বৈশ্বিক গবেষণা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সি৯ লীগ চীনের ৯টি শীর্ষস্থানীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভিজাত জোট । এই জোটের সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: 1. পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় 2. সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় 3. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় 4. সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয় 5. নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় 6. চচিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় 7. চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 8. হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি 9. শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয় ...

মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিং: সূচনা থেকে নামকরণ ও ইতিহাসের অজানা অধ্যায়

ছবি
রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণের ইতিহাস কলকাতার ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র লালদিঘির পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক 'মহাকরণ' (রাইটার্স বিল্ডিং)-এর সূচনা, স্থাপত্য পরিবর্তন ও নামকরণের সম্পূর্ণ ইতিহাস জানুন tathyatalas.blogspot.com -এ কলকাতার ইতিহাসের অন্যতম প্রধান সাক্ষী হলো ‘ রাইটার্স বিল্ডিং ’ বা ‘ মহাকরণ ’। লাল ইটের এই বিশাল স্থাপত্যটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এটি ব্রিটিশ আমল থেকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু। রাইটার্স বিল্ডিং গড়ে ওঠা ও বিবর্তনের ইতিহাস নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. সূচনালগ্ন (১৭৭৭ - ১৭৮০) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে কনিষ্ঠ কেরানিদের ‘ রাইটার ’ (Writer) বলা হতো। এই তরুণ অফিসারদের থাকার জায়গার অভাব মেটাতে ১৭৭৭ (মতান্তরে ১৭৭৬) সালে একটি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। স্থপতি : থমাস লায়ন (Thomas Lyon)। উদ্দেশ্য : মূলত এটি ছিল কোম্পানি রাইটারদের জন্য একটি মেস বা আবাসন। ১৭৮০ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। অবস্থান: বিবাদী বাগ (তৎকালীন ডালহৌসি স্কয়ার) এলাকার লাল দিঘির ঠিক পাশেই এটি নির্মিত হয়। আয়তন :   ১৫০ মিটার দীর্ঘ এব...

মহান মে দিবসের ইতিহাস ও ২০২৬-এর তাৎপর্য | তথ্য তালাশ

ছবি
মে দিবস। May Day। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আজ ১লা মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ ও ভারতে আজ ‘ মহান মে দিবস ’ বা ‘ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি সম্মান জানানোর এক ঐতিহাসিক দিন। এক কথায়, ১ লা মে দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন বিশেষ নিবেদন :মে দিবসের ছড়া ঘামের গাথা ঘামের স্রোতে কাটছি সাঁতার সকাল থেকে সন্ধ্যা, যে-স্রোতের গতি মন্দা হলেই সভ্যতা হয় বন্ধ্যা। সেই স্রোতেতেই হাবুডুবু খাই, তোমার তাতে মানা তবু, তোমার চেয়ে দামি আমি, মানতে তোমার মানা। — আলী হোসেন (পুরো ছড়াটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ) 🗓 মে দিবসের পরিচিতি ও নামকরণ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস সাধারণভাবে ‘মে দিবস’ নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়। 📜 মে দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি : শ্রমিক আন্দোলনের প্রাথমিক পর্ব : বর্তমান শ্রমিক সংগ্রাম থেকে ‘মে দিবসে’র সংগ্রাম ছিল অনেকটাই ভিন্ন। ১৭৬০ থেকে ১৮৩২ সাল ছিল ইংল্যান্ডের...

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস বিশ্ব নৃত্য দিবস আজ ২৯ এপ্রিল , আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস। ১৯৮২ সালের ২৯ এপ্রিল প্রথম বিশ্ব নিত্য দিবস , যা আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস নামেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ, এটি কেবল একটি দিন উদযাপন নয়, বরং একটি সর্বজনীন শিল্পমাধ্যম হিসেবে নৃত্যের স্বীকৃতিকে চিহ্নিত করে। ১৯৮২ সালে প্রথম পালিত এই দিবসটি, ফরাসি নৃত্যশিল্পী জ্যঁ-জর্জেস নভেরের (Jean-Georges Noverre) জন্মদিনকে স্মরণ করে প্রতি বছর ২৯ এপ্রিল উদযাপিত হয়। প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট এবং মূল ব্যক্তিত্ব : • প্রতিষ্ঠাতা সংস্থা: এটি ইউনেস্কোর (UNESCO) প্রধান অংশীদার ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের ( আইটিআই ) নৃত্য কমিটি কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। • কেন ২৯ এপ্রিল: জ্যঁ-জর্জেস নভেরে (১৭২৭-১৮১০), যিনি ‘ আধুনিক ব্যালের জনক’  হিসেবে পরিচিত। তাঁর জন্মদিনকে (২৯ এপ্রিল) সম্মান জানাতেই দিনটি বেছে নেওয়া হয়। তিনি ১৭৫৪ সালে ব্যালে নৃত্যকে নতুন রূপ দেন এবং ১৭৬০ সালে ‘ লেটারস অন দ্য ড্যান্স ’ (Letters on the Dance) বইটি রচনা করেন। • প্রথম উদযাপন: আইটিআই-এর নৃত্য কমিটি এবং ওয়ার্ল্ড ড্যান্স অ্যা...

মেলীয় সংলাপ (Melian Dialogue) কী?

‘মেলীয় সংলাপ’ (Melian Dialogue) কী? ‘ মেলীয় সংলাপ ’ (Melian Dialogue) হলো ইতিহাসের অন্যতম একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও দার্শনিক কথোপকথন। এই সংলাপটি প্রাচীন গ্রীক ঐতিহাসিক থুকিডিটিসের লেখা ‘ পেলোপনেসীয় যুদ্ধের ইতিহাস ’ গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ৮৪-১১৬ অনুচ্ছেদের অংশ। এই সংলাপটি মূলত শক্তি, ন্যায়বিচার ও সাম্রাজ্যবাদের কঠোর বাস্তবতার এক চিরন্তন আলেখ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: কী ঘটেছিল? খ্রিস্টপূর্ব ৪১৬ সালে, এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে একটি যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধ ‘ পেলোপনেসীয় যুদ্ধ ’ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধ চলাকালীন, শক্তিশালী এথেন্স এজিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি নিরপেক্ষ দ্বীপ ‘ মেলোস’ আক্রমণ করে। মেলোসিরা স্পার্টার সাথে জাতিগতভাবে সম্পর্কিত ছিল, কিন্তু যুদ্ধে তারা (স্পার্টা) নিরপেক্ষ থাকতে চেয়েছিল। এথেনীয়রা মেলোসকে আল্টিমেটাম দেয় —হয় তাদের আত্মসমর্পণ করে এথেনীয় সাম্রাজ্যের করদ রাজ্যে পরিণত হতে হবে, নয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। ২. সংলাপের মূল বক্তব্য: ‘শক্তিশালী যা পারে তাই করে’ : থুকিডিটিস তাঁর ‘ পেলোপনেসীয় যুদ্ধের ইতিহাস ’ গ্রন্থে সরাসরি যুদ্ধের...

ভাষা শহীদ স্মারক সমিতির উদ্বোধন

ভাষা শহীদ স্মারক সমিতির উদ্বোধন : Inauguration of the Bhasha Shahid Swarok Samiti. ১৯৯৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘ভাষা শহীদ স্মারক সমিতি’। সুরেন্দ্রনাথ উদ্যানে গড়ে ওঠে লালন মঞ্চ। উদ্বোধন করেন কবি অরুণ মিত্র। সভাপতিত্ব করেন মৃণাল সেন। নিয়মিত চলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরা যেন। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উদযাপন।  এবছর উনিশে মে, বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় গৃহীত হয় 12 দফা দাবি সনদ। পেশ করা হয় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কাছে।  অবিলম্বে আইন করে সারা রাজ্যে বিজ্ঞপ্তি, বিজ্ঞাপন, পথ/পথ নির্দেশিকা সব কিছুতেই বাংলা ভাষার অগ্রাধিকার আবশ্যিক করতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতম পর্যায় পর্যন্ত বাংলা ভাষার মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।  রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয়ে ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।  রাজ্য সরকারি বেসরকারি চাকরির জন্য চাকরিপ্রার্থীর বাংলা জানা আবশ্যিক করতে হবে।  কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ইংরেজি নাম এবং বানান   KOLKATA ও PASH...

🔰 তারিখ অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 মাস অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

🔰 বছর অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 ব্যক্তি অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন : 🔍

আরও দেখান

🔰 বিষয় অনুযায়ী তথ্য খুঁজুন :🔍

আরও দেখান

তথ্য তালাশ : অনলাইন সংকলন

আলী হোসেন, লেখক,
তথ্য তালাশ
সুপ্রিয় পাঠক,

তথ্য তালাশ-এর অনলাইন সংকলনে আপনাকে স্বাগত। 

প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।

তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ

আপনি কি পড়তে চান এই সংকলনটি! ক্লিক করুন এখানে