লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
চিন্তা ও চেতনার পার্থক্য কী? মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা এবং চেতনার সূক্ষ্ম পার্থক্য। ভূমিকা : চিন্তা (Thought) এবং চেতনা (Consciousness) হল মনস্তত্ত্ব ও দর্শন শাস্ত্রের অতি পরিচিত দুটি পরিভাষা। এই পরিভাষার সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। কিন্তু শব্দ দুটির অর্থ কী, কখন, কোথায়, এবং কী অর্থে এরা ব্যবহৃত হয়, তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। ব্যাপারটা যেন খানিকটা এরকম— বিষয়টি বুঝি কিন্তু বোঝাতে পারিনা। এক নজরে | চিন্তা ও চেতনা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, চেতনা এবং চিন্তা হল মনস্তত্ত্ব ও দর্শনের দুটি পরিচিত পরিভাষা। এদের মধ্যে চেতনা হলো এমন একটি প্রাথমিক অনুভব বা আধার , যা নিজেই নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দেয়। অন্যদিকে চিন্তা হলো সেই চেতনার ওপর ভর করে পরিচালিত একগুচ্ছ মানসিক প্রক্রিয়া বা কার্যকলাপ যা মানুষকে সক্রিয় করে তোলে। ১. মৌলিক সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা : বিষয়টি আমরা এভাবে সংজ্ঞায়িত ও ব্যাখ্যা করতে পারি— [ক] চেতনা (Consciousness): চেতনা হল এমন এক প্রাথমিক অনুভব বা শক্তি যা যেকোনো ব্যক্তি বা জীবের নিজের অস্তিত্বের কথা অনুভব করতে সক্...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
উসেইন বোল্ট ১০০ মিটার দৌড়ে রেকর্ড : Usain Bolt, 100-meter Record ২০০৮ সালের ৩১ মে। বিশ্ব বিখ্যাত স্প্রিন্টার উসেইন বোল্ট ১০০ মিটার দৌড়ে রেকর্ড করেন। এই রেকর্ড গড়তে তিনি সময় নিয়েছিলেন মাত্র ৯.৭২ সেকেন্ড। ২০০ মিটার দৌড়েও তাঁর রেকর্ড আছে। তাঁকে অনেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্প্রিন্টার বলেও দাবি করেন। উসেইন বোল্ট (Usain Bolt) হলেন জ্যামাইকার একজন অবসরপ্রাপ্ত দৌড়বিদ , যাকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ স্প্রিন্টার (দ্রুততম মানব) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড়ে একাধিক বিশ্ব রেকর্ড করেন এবং অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অসংখ্য স্বর্ণপদক জিতেছেন। উসেইন বোল্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য: ক) উসেইন বোল্টের জন্ম: ২১ আগস্ট, ১৯৮৬, জ্যামাইকা। ডাকনাম: ‘লাইটনিং বোল্ট’ যার অর্থ বজ্রপাত)। উসেইন বোল্ট জামাইকার ট্রেলানির শেরউড কন্টেন্ট নামক একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি খেলাধুলায় খুব আগ্রহী ছিলেন, বিশেষ করে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলতে ভালোবাসতেন। খ) উসেইন বোল্টের সাফল্য : ১) বিদ্যালয় স্তরে সাফল্য : স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে তার অ্যাথলেটিক্সের যাত্রা...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
বিশ্ব অ্যালজেইমার্স দিবস বিশ্ব অ্যালজেইমার্স দিবস World Alzheimer's Day ১৯৯৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। বিশ্ব অ্যালজাইমার্স দিবস । ১৯৯৪ সালে প্রথমবার এই দিনটি আলজাইমার্স দিবস হিসাবে পালিত হয়েছিল । ২০১২ সাল থেকে ২১শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব অ্যালজাইমার্স দিবস পালনের পাশাপাশি সেপ্টেম্বর মাসটিকে ‘ বিশ্ব অ্যালঝাইমার্স মাস ’ হিসেবে পালন করা হয়, যাতে সারা মাস জুড়ে এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালানো যায়। “বিশ্বজুড়ে ৫৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এই ভয়াবহ রোগে (অ্যালঝাইমার্স) আক্রান্ত হয়।” প্রতি বছর ২১শে সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব অ্যালজেইমার্স দিবস। এটি অ্যালজেইমার্স রোগ এবং অন্যান্য ডিমেনশিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কলঙ্ককে চ্যালেঞ্জ করার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা। অ্যালঝাইমার্স অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে, বিশ্বজুড়ে ৫৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এই ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়। অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকি ও কিছু তথ্য : প্রতি ৩ জনের মধ্যে ১ জন বয়স্ক ব্যক্তি আলঝাইমার বা অন্য কোনও ডিমেনশিয়ায় মারা যান । এটি স্তন ক্যান্সার এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চেয়েও বেশি মৃত্যু ঘটায়। ভারতে এই মুহূর...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
মে দিবস। May Day। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আজ ১লা মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশ ও ভারতে আজ ‘ মহান মে দিবস ’ বা ‘ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি সম্মান জানানোর এক ঐতিহাসিক দিন। এক কথায়, ১ লা মে দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন ঘামের গাথা ঘামের স্রোতে কাটছি সাঁতার সকাল থেকে সন্ধ্যা, যে-স্রোতের গতি মন্দা হলেই সভ্যতা হয় বন্ধ্যা। সেই স্রোতে খাই হাবুডুবু, তোমার তো তা জানা তোমার চেয়ে দামি আমি, তা মানতে কেন মানা? — আলী হোসেন (পুরো ছড়াটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ) 🗓 মে দিবসের পরিচিতি ও নামকরণ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস সাধারণভাবে ‘মে দিবস’ নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়। 📜 মে দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি : শ্রমিক আন্দোলনের প্রাথমিক পর্ব : বর্তমান শ্রমিক সংগ্রাম থেকে ‘মে দিবসে’র সংগ্রাম ছিল অনেকটাই ভিন্ন। ১৭৬০ থেকে ১৮৩২ সাল ছিল ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের মূল পর্যায় । এই শিল্প ...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মদিন : আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মদিন Birthday of Acharya Prafulla Chandra Roy ১৮৬১ সালে ২ আগস্ট। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিন।অবিভক্ত বাংলার খুলনা জেলার রাড়ুলি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন বিজ্ঞানী এবং উদ্যোগপতি। বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস এর প্রতিষ্ঠাতা করে ভারতের বিজ্ঞান গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যান। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় (Acharya Prafulla Chandra Ray, ১৮৬১ - ১৯৪৪) ছিলেন একজন কিংবদন্তি বাঙালি রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, উদ্যোক্তা এবং দানবীর। তাঁকে ভারতীয় রসায়ন বিজ্ঞানের জনক ও ভারতীয় রাসায়নিক শিল্পের পথিকৃৎ হিসেবে সম্মান করা হয়। তাঁর জীবন ও কর্ম ছিল বৈচিত্র্যময় এবং গভীরভাবে অনুপ্রেরণাদায়ক। জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন : জন্ম: ২রা আগস্ট, ১৮৬১, ররুলি-কাটিপাড়া গ্রাম, খুলনা জেলা (বর্তমানে বাংলাদেশে)। পিতা: হরিশ্চন্দ্র রায় (প্রগতিশীল চিন্তাধারার জমিদার)। মাতা: ভুবনমোহিনী দেবী। শিক্ষা জীবন : প্রাথমিক শিক্ষা: গ্রামের পাঠশালা ও পিতার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা। কলকাতার হেয়...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
শুভাংশু শুক্লার মহাকাশ পাড়ি শুভাংশু শুক্লার মহাকাশ পাড়ি Subhanshu Shukla's space journey ২০২৫ সালের ২৫ জুন বুধবার বেলা ১২টা ০১ মিনিটে শুভাংশু শুক্লা মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন। গন্তব্য ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন। তিনি হলেন দ্বিতীয় ভারতীয় ( প্রথম ভারতীয় রাকেশ শর্মা ), যিনি মহাকাশ পাড়ি দিলেন। তবে, তিনিই প্রথম ভারতীয় , যিনি ‘ ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন ’-এ যাচ্ছেন। আমেরিকার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেটে করে তিনি যাত্রা শুরু করেন। শুভাংশু শুক্লার পরিচয় : ১৯৮৫ সালে উত্তরপ্রদেশের লখনৌ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শম্ভু দয়াল শুক্লা। মায়ের নাম আশা শুক্লা। স্ত্রী কামনা শুক্লা। সুভাংশুর স্কুল জীবন শুরু হয় লাখনৌয়ের সিটি মন্টেসরি স্কুলে । স্কুল শেষ করে স্নাতক পড়তে ভর্তি হন ‘ ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি ’তে। এরপর ২০০৬ সালে যোগদান ভারতীয় বায়ু সেনায় । তারপর আইআইএসসি ব্যাঙ্গালোর থেকে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং-এ এমটেক করেন। ২০১৯ সালে গগনযান হিউম্যান স্পেসফ্লাইটে অংশ নেওয়ার পরেই এই অ্যাক্সিওম মিশন-৪ এর ক্যাপ্টেন হিসেবে নির্বাচিত হন। মহাকা...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রথম বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল কবে, কোথায়? First Cricket World Cup ১৯৭৫ সালের ৭ই জুন। ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়। প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপে জয়লাভ করেছিল ক্লাইভ লাইটে নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম। ফাইনালে তারা অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে পরাজিত করেছিল। প্রথম পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ , যা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ প্রুডেনশিয়াল কাপ ’ নামে পরিচিত ছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ই জুন থেকে ২১শে জুন পর্যন্ত ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI) ক্রিকেটের প্রথম বিশ্বকাপ। প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপের সংক্ষিপ্ত বিবরণ: সময়কাল: ৭ জুন - ২১ জুন, ১৯৭৫ আয়োজক দেশ: ইংল্যান্ড ফরম্যাট: ৬০ ওভারের একদিনের ম্যাচ (প্রতি ইনিংসে ৬০ ওভার)। অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি দল - ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং পূর্ব আফ্রিকা। দলগুলোকে দুটি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়েছিল। প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপের ধরন: সাদা পোশাকে ও লাল বলে দিনের বেলা খেলা অনুষ্ঠিত হত। প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনাল: ফাইনাল ম্যাচটি লন্ডনের লর...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
‘রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার’ কী? যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে শান্তির আহ্বান: রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহারের মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা। এটি সেই মানুষের শেষ বার্তা, যিনি মানব বুদ্ধি যত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে তার প্রতীক ছিলেন — তিনি আমাদের কাছে অনুরোধ রেখে গেছেন, যেন মানবের মূর্খতা দিয়ে এই সবকিছুকে ধ্বংস হতে না দেওয়া হয়। জোসেফ রটব্লাট (Joseph Rotblat) [ ইশতেহারের ১১ জন স্বাক্ষরকারীর একজন এবং পরবর্তীতে পাগওয়াশ আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা।] রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার হলো ১৯৫৫ সালের ৯ জুলাই লন্ডনে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র। স্নায়ুযুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিশ্বকে সতর্ক করতে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানাতে এটি প্রকাশ করা হয়। এটি প্রখ্যাত দার্শনিক ও গণিতবিদ বার্ট্রান্ড রাসেল এবং বিখ্যাত পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন-এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল। 📜 পটভূমি ও উদ্দেশ্য ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার পর এবং এরপর হাইড্রোজেন বোমার বিকাশের ফলে বিশ্ব একটি ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রাসেল ও আইনস্টাই...
ভারতের জাতীয় প্রতীকের নকশাকার কে ছিলেন? Designer of the National Emblem of India ভারতের জাতীয় প্রতীক : ভারতের ‘ জাতীয় প্রতীক ’ হল অশোক স্তম্ভের শীর্ষভাগের অংশ ‘ সিংহচতুর্মুখ ’, যা সাধারণভাবে ‘ অশোক স্তম্ভ ’ নামে পরিচিত। সারনাথের অশোক স্তম্ভ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই প্রতীকটি আঁকা হয়েছিল। এই নকশাটির ইতিহাস ও নির্মাণ সম্পর্কে আমরা অধিকাংশ ভারতীয়ই প্রায় কিছুই জানিনা। আসুন জেনে নিই, কখন, কোন প্রসঙ্গে, কারা ভারতের এই ঐতিহ্যবাহী ‘জাতীয় প্রতীক’ অঙ্কন করেছিলেন। কে নকশা করেছিলেন? ভারতের জাতীয় প্রতীকের নকশাকার হলেন শিল্পী দিননাথ ভার্গব (Dinanath Bhargava)। তিনি তখন ‘বোম্বে আর্ট স্কুলে’র (জে. জে. স্কুল অফ আর্ট) একজন ছাত্র। এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেছিলেন তাঁর শিক্ষক, তৎকালীন ভারতের একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রকর, নন্দলাল বসু। কখন গৃহীত হয়েছিল? ভারতের জাতীয় প্রতীক ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০-এ (প্রজাতন্ত্র দিবস) সরকারিভাবে গ্রহণ করা হয়। ভারতের জাতীয় প্রতীকের বৈশিষ্ট্য : ভারতের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে আছে চারটি সিংহ, যেগুলো একটি বৃত্তাকার শীলা ফলকের উপর দাঁড়িয়ে আছে। শিলা ফলকটির মধ্যে নিচের দিকে রয়েছ...
লিখেছেন
Ali Hossain
তথ্য তালাশ : পড়ুন, জানুন কেন স্মরণীয়
উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কী? What is innovation-driven economic growth? ‘ উদ্ভাবন চালিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ’(innovation-driven economic growth)-র উদ্ভাবক হলেন জোয়েল মোকির । তিনি একজন অর্থনৈতিক ইতিহাসের অধ্যাপক। তাঁর এই তত্ত্বের মূলকথা হলো — সমাজ যদি নতুন প্রযুক্তি ও নতুন জিনিসকে গ্রহণ করতে রাজি না হয়, তাহলে নয়া উদ্ভাবনের ফলে যে উন্নয়নের জোয়ার আসার কথা, তা আটকে যায়। আর তা গ্রহণ করলে ‘দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ ঘটে। জোয়েল মোকির এই ‘উদ্ভাবন চালিত প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব’ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দেখিয়েছেন, এর জন্য প্রয়োজন ‘ কার্যকর জ্ঞানে ’র একটি নিরন্তর প্রবাহ । এই কার্যকর জ্ঞান- এর দুটি অংশ রয়েছে। প্রথমটি হল— ‘ প্রস্তাবমূলক জ্ঞান ’ (propostional knowledge) এবং দ্বিতীয়টি হল— ‘ নির্দেশকমূলক জ্ঞান ’ (prescriptive knowledge)। প্রস্তাবমূলক জ্ঞান হল প্রাকৃতিক জগতের নিয়ম-কানুনের একটি পদ্ধতিগত বর্ণনা, যা আমাদের দেখায়, বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক নিয়মগুলো কেন কাজ করে । আর ‘ নির্দেশমূলক জ্ঞান ’ হল কিছু ব্যবহারিক নির্দেশাবলী, অংকন ইত্যাদি যা বর্ণনা করে, এই কাজ কর...
প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। কিছু বিখ্যাত, কিছু অখ্যাত, আবার কিছু কুখ্যাতও। এই সব হরেক ঘটনার মধ্যে থাকে এমন কিছু ঘটনা, যা মানুষ মনে রাখতে চায়, চায় স্মরণ করতে।
তথ্য তালাশ সেই লক্ষ্য নিয়েই তৈরি। যেহেতু এটি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি, তাই যখনই প্রয়োজন পড়বে, আপনার হাতের মোবাইলে হাত রাখলেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মত সামনে হাজির হবে তথ্য তালাশ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন